মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম অঙ্গরাজ্য রোড আইল্যান্ডের রাজধানী প্রভিডেন্সে ১৮৯০ সালে হাওয়ার্ড ফিলিপস লাভক্রাফটের জন্ম। তিনি বিশ্বাস করতেন এই বিপুল রহস্যময় বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে মানুষ একটি সামান্য অংশ ছাড়া কিছু নয়। তরুণ বয়স থেকে পাল্প ফিকশন ধারায় আগ্রহী ছিলেন তিনি। ১৯১৩ থেকে ১৯৩৭ — এই মাত্র ২৪ বছরে লাভক্রাফট যা লিখেছেন তা আজকের বিশ্ব সাহিত্যে এক অনন্য সম্পদ। কসমিসিজম প্রভাবিত বিশ্বের রোমাঞ্চ সাহিত্যে এইচ পি লাভক্রাফট একটি যথেষ্ট খ্যাতিমান নাম। এক্সেলার বুকস থেকে এই সংকলনগুলোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বিশ্ব সাহিত্যের এই বিশেষ ধারার জনপ্রিয় স্রষ্টার সৃষ্টিকর্মকে বৃহত্তর বাঙালি পাঠকের কাছে উপস্থিত করার অভিপ্রায় নিয়েই।

‘রসেবশে প্রবাসে’ মূলত স্বল্পমেয়াদী আসা নানা চেনা অচেনা ঘটনার একটা সংকলন। টক মিষ্টি ঝালের আনুপাতিক মিশ্রণে স্বাদু ব্যাঞ্জন। জার্মানির লাইপজিগ শহর আর বিনগেনের গ্রামীণ জীবনের টুকরো টুকরো মুহূর্তের অভিজ্ঞতা আর অনুভূতির সবটুকু মিলেমিশে এ লেখা ‘আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’-এর মতোই এক অন্তরের তাগিদ। শুধুই নতুন কোনো দেশ দেখা নয় বরং ওখানকার মানুষ আর তাদের দিন-রাতের জীবনকে ছুঁয়ে থাকা। ভাষা অনেকসময় বিড়ম্বনার কারণ হলেও আবেগ সেখানে এসে হাত ধরেছে। স্থান ও কাল তৈরি করে নিয়েছে বন্ধুত্ব ও আত্মীয়তার এক নতুন ডেফিনেশন।

কবিতা জন্মায় আঘাটায়। জন্মায় গুল্মের মতো, নর্দমার জলে। জন্মলগ্নে শাঁখ বাজে না। হুলুধ্বনি ওঠে না, শুধু প্রেতিনীরা খিলখিল করে হেসে ওঠে। সমসময়ের মুখে দর্পণ ধরে রাখে সে। কবিতা হয়তো-বা অমৃত হয়ে উঠতে চাইবে। নান্দনিকতা চাইবে। আর, একটু একটু করে ইল্যুশন জড়ো হয়। প্রেম আসে। রাগ রাগিনীরা হাওয়ায় ভাসে। আজও জানা নেই কোন কেমিস্ট্রি থেকে কবিতা তৈরি হয়। সরল দোসার মতো জীবন আর একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার দেখা হয় যখন, নাকি অতৃপ্তি, চরম অতৃপ্তিতে যখন মিশে যায়। রান্নাঘরময় ঘুরে বেড়ানো আলুচচ্চড়ির ঝাঁঝ, সেই তখন! সিনেমার মতো, চেতনায় একের পর এক স্লাইড নেমে আসে। সাদা। কালো। ধূসর। আমি, নিরুপায়, লিখি তাদের।













































