বাংলার বিচিত্র বিবাহ প্রথা
মনুষ্য সমাজের পরিব্যাপ্তি ও বিশ্বের অগ্রগতির জন্য নির্দিষ্ট ধরাবাঁকা অনুশাসনের মধ্যে বিবাহ প্রথা অবশ্যমানী। মাত প্রতিঘাত ও কুসংস্কার আমাদের গতিসমের প্রতিবন্ধক ছিল। এগুলো পেরিয়ে আমর সভ্যতার গতির শকটে চড়ে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছি ঠিকই, কিন্তু এ যুগে এসেও আমরা কিছু ফেনো প্রাচীন প্রচলিত নির্দিষ্ট ধারাগুলি বজায় রেখেছি। বিচিত্র এইসব বৈবাহিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে আমরা বেশিরভাগ লোকই পরিচিত নই। তাই পরিচিত বিবাহ প্রথার বাইরে দিয়ে আদিকালী উপজাতি, পাহাড়ি বিভিন্ন জাতি আর সমাজের কিছু উপেক্ষিত অধিবাসীদের বিবাহ প্রথাকে তুলে ধরা হয়েছে এই গ্রন্থে। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষ যখন নিয়াম ও আইনের বন্ধনে বন্ধ তখন এই গোষ্ঠীগুনি কিন্তু এখনো স্ব স্ব অনুষ্ঠানের ধারক ও বাহক হিসাবেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং সামাজিক বিচার বা রীতিকে মান্যতা দেন।
লেখক পরিচিতি
সুজয়কান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় একজন রসায়নবিদ। তিনি জীবনের অধিকাংশ সময় শিল্পে উৎপন্ন সামগ্রী ও উপজাত দ্রব্যের মান নির্ণয়ে ব্যস্ত ছিলেন। করোনার সময় থেকেই তার লেখালেখির জীবন শুরু। যদিও এর আগে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ছোটগল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার রচনাসমূহের মধ্যে ‘একান্নপীঠের কাব্য’, ‘দশহাজার লেকের দেশে’ (ভ্রমণকাহিনি), ‘বুদ্ধিতে বাজিমাত’ (নয়শোটি ধাঁধা ও উত্তরসহ), ‘শিব অবতার কাব্য’, ‘দিলখুশ গল্পের বাহার’ (৪৮টি গল্প) এবং ‘দারুব্রহ্ম জগন্নাথ কথা’ বিশেষভাবে উলেখযোগ্য। এছাড়াও ‘উদগার’ (বিশেষ কবিতাগ্রন্থ) তাঁর উলেখযোগ্য রচনা।







