রসেবশে প্রবাসে
‘রসেবশে প্রবাসে’ মূলত স্বল্পমেয়াদী আসা নানা চেনা অচেনা ঘটনার একটা সংকলন। টক মিষ্টি ঝালের আনুপাতিক মিশ্রণে স্বাদু ব্যাঞ্জন। জার্মানির লাইপজিগ শহর আর বিনগেনের গ্রামীণ জীবনের টুকরো টুকরো মুহূর্তের অভিজ্ঞতা আর অনুভূতির সবটুকু মিলেমিশে এ লেখা ‘আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’-এর মতোই এক অন্তরের তাগিদ। শুধুই নতুন কোনো দেশ দেখা নয় বরং ওখানকার মানুষ আর তাদের দিন-রাতের জীবনকে ছুঁয়ে থাকা। ভাষা অনেকসময় বিড়ম্বনার কারণ হলেও আবেগ সেখানে এসে হাত ধরেছে। স্থান ও কাল তৈরি করে নিয়েছে বন্ধুত্ব ও আত্মীয়তার এক নতুন ডেফিনেশন।
লেখক পরিচিতি
বর্তমানে বেথুন কলেজে কর্মরত সুমিতা মুখোপাধ্যায় পেশায় অধ্যাপিকা হলেও নেশায় কিন্তু বেজায় মজার, সাপ্টেসুপ্টে জীবনটাকে কাচিয়ে তোলা। আর সেখানেই নানা ঘটনার ঘনঘটা, যেগুলো নিয়েই তাঁর উদ্ভট লেখাপত্তর, যেখানে তাঁর প্রতিটা সত্যভাষণেই রাগ, দুঃখ, মজা, হাসি এ সবই আসে জীবনবোধের স্বাভাবিক গতিছন্দে। ‘রসেবশে প্রবাসে’-তেমনই এক জার্মানির দিনলিপি গোছের লেখার সংকলন। প্রবাসে দীর্ঘ একমাস থাকার সুবাদে ওখানকার রঙহীন যাপনেও কেমন করে যেন উলটে যেত রঙের দোয়াত। ব্যাস! তখনই বিদেশের গোমড়া মুখো মেঘলাদিনে তৈরি হয়ে যেতো একটার পর একটা বিচিত্র লেখা। সেখানে না আছে কোনো নামিদামি দর্শনীয় স্থানের আভিজাত্য, না আছে দেশ দেখার বিমুগ্ধতা। তবে হ্যাঁ, একেবারেই যে কিছু নেই তা নয়, আছে জার্মানির লাইপজিগ শহর আর বিনগেন নামের পাহাড়ি গ্রামের দিনগুলো ছুঁয়ে থাকার অভিজ্ঞতা, যা রসবৈচিত্র্যে ও নির্মাণে খানিক ভিন্ন স্বাদের।







