একটি রাস্তা । তারপর, আবার রাস্তা । তারপর সমাধি ।
তার উপর চাঁদের ছায়া । দু’একটা পাতা ।
রাস্তার ওপাশে একটা ভাঙা দোকান । তিনটে চেয়ার ।
সমাধি থেকে উঠে এসে এই চেয়ারে বসলেন তিনি ।
টোটেনখাম । চাঁদ তখন পিছলে যাচ্ছে রাস্তার উপর ।
তিনি তার ভাঙা হাড়ের আঙুলগুলি বের করে কাকে যেন ডাকলেন ।
একটা নেড়ি কুকুর, তখনই, ডেকে উঠল ।
ঐ ডাক শেষ হবার আগে, টোটেনখামের উল্টোদিকের
চেয়ারে এসে বসলেন কবি ।
তাঁর খুলির একদিক ভেঙে গেছে । চোখের কোটরে
জমে আছে শ্যাওলা । বললেন, ‘তাড়ি হলে জমত ।’
‘হবে ।’ টোটেনখাম গম্ভীর । ‘আগে তিনি আসুন ।’
তিন নম্বর চেয়ারে এসে যিনি বসলেন, তিনি বিনোদিনী ।
ততক্ষণে, চাঁদ ডুবে গেছে ।












































