এ এক ‘অচেনা’ দেশ/পার্থ মুখোপাধ্যায়

আমরা যখন গতির নেশায় ছুটছি, যখন আমাদের চারপাশ ‘স্মার্ট সিটি’ আর ‘ক্যাশলেস’ হওয়ার উৎসবে মেতেছে, তখন নিঃশব্দে এক বিশাল সংখ্যক মানুষ আমাদের সমাজ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছেন। এঁরা আমাদেরই বাবা-মা, আমাদেরই ঠাকুরদা-ঠাকুমা। গত কয়েক দশক ধরে যে হাতগুলো এদেশটাকে আগলে রেখেছিল, আজ কিন্তু অদ্ভুত ‘ডিজিটাল অস্পৃশ্যতা’র শিকার সেই হাতগুলোই।  প্রগতিকে আমরা বরণ করেছি ঠিকই, কিন্তু বিনিময়ে বিসর্জন দিয়েছি এক বিশাল সংখ্যক মানুষের দাঁড়িয়ে থাকার জায়গা।

একসময় পাড়ার মোড়ের ব্যাংক বা রেশন দোকান ছিল আমাদের কাকা-দাদা-মামা গোত্রের এই প্রবীণ মানুষগুলোর চেনা পরিচিত গণ্ডি। সেখানে মানুষ ছিল, চোখের ভাষা ছিল। আজ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে এক-একটা নির্জীব ‘কিয়স্ক’ বা ইন্টারফেস। আমাদের এবং আমাদের পরের প্রজন্মের কাছে যা ‘ইউজার ফ্রেন্ডলি’, তাঁদের কাছে কিন্তু তা এক দুর্ভেদ্য গোলকধাঁধা। সামান্য একটা পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া বা একটা ওটিপি সময়মতো না আসা তাঁদের কাছে কিন্তু স্রেফ প্রযুক্তিগত কোনো ত্রুটি নয়, বরং এক ধরণের অস্তিত্বের সংকট। যে মানুষটি সারাটা জীবন সম্মানের সঙ্গে সংসার চালালেন, তাঁকেই আজ নিজের জমানো টাকা তুলতে গিয়ে সন্তানের বা কোনো অপরিচিতের করুণার পাত্র হতে হচ্ছে। প্রশ্ন হতেই পারে যে, এই অসহায়ত্বের দায় কার ?

আমরা ঘোষণা করে বসে আছি,  যে,  স্মার্টফোনহীন জীবন এখন অচল। কিন্তু ভেবে দেখেছি কি, এই ডিভাইসটি অনেকের কাছেই এক ধরণের ‘ডিজিটাল জেলখানা’ কিনা ? চোখের পাওয়ার কমে আসা মানুষটির কাছে এইসব ছোটো ছোটো আইকনগুলো এখন ঝাপসা।

কাঁপতে থাকা আঙুলের কাছে ‘টাচ স্ক্রিন’ আজ এক অবাধ্য অবয়ব। রাষ্ট্র ও সমাজ যখন সবকিছুকে বাধ্যতামূলক ‘অ্যাপ-নির্ভর’ করে তুলতে ব্যস্ত, তখন পরোক্ষভাবে আমরা কি এটাই বুঝিয়ে দিই না যে, যারা এই প্রযুক্তিতে সড়গড় নও, এ সমাজে তাদের কোনো প্রয়োজন নেই ? প্রবীণদের এই পরিকল্পিত বর্জন কি সত্যিই কোনো সভ্য মানসিকতার  পরিচয়?

বলা হয় ডিজিটাল লেনদেন খুবই নিরাপদ। অথচ বাস্তব হল, সাইবার অপরাধীদের সবচেয়ে সহজ শিকার কিন্তু এই প্রবীণরাই। যাঁরা প্রযুক্তির মারপ্যাঁচ বোঝেন না, তাঁদের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে দিনের পর দিন কি  লুণ্ঠিত হচ্ছে না তাঁদের আজীবনের সঞ্চয় ? দেখেশুনে মনে হয় না কি যে, এক অদ্ভুত প্যারাডক্সের মধ্যে বাস করছি আমরা — যেখানে আমরা একদিকে স্বচ্ছতার কথা বলব, অন্যদিকে আমাদের সবথেকে দুর্বল নাগরিকদের অরক্ষিতভাবে ছেড়ে দেব  ডিজিটাল হায়নাদের  জঙ্গলে ?

ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সবথেকে বড়ো অভিশাপ হল সম্ভবত একটা ‘স্পর্শের অভাব’। আগে প্রবীণদের নিজেদের একটা সামাজিক বৃত্ত ছিল। ব্যাংকের লাইনে কথা হত, পোস্ট অফিসে আড্ডা হত। আজ সেই সব সুযোগ কেড়ে নিয়ে তাঁদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে এক শীতল প্লাস্টিকের বডি। ঘরে বসে সব পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। এই যে ডিজিটাল একাকীত্ব, এর কি কোনো ৫-জি স্পিড দিয়ে পূরণ করা সম্ভব ?

বিনির্মাণ বা ডি-কনস্ট্রাকশন আমাদের আজকের দুনিয়ার সবথেকে আগ্রহ জাগানো একটা ধারণা বলুন ধারণা, দর্শন বলুন দর্শন, যা আমাদের শেখায় চাকচিক্যের আড়ালের কঙ্কালটাকে দেখতে কেবল নয়, তাকে বিশ্লেষণ করে আমাদের  নিজেদের অবস্থানে পৌঁছতে। এই ডিকনস্ট্রাকশনই কি বলে দিচ্ছে না যে, আমাদের এই ঝকঝকে ডিজিটাল ভারতের ধারণার আড়ালে, তার নিচে চাপা পড়ে আছে কয়েক কোটি প্রবীণ মানুষের দীর্ঘশ্বাস ? প্রগতি মানে যদি হয় অগ্রজদের পিছনে ফেলে যাওয়া, তবে সেই প্রগতিকে নিয়ে আমাদের কেন লজ্জিত হওয়া উচিত হবে না ?

প্রযুক্তির কাজ তো আসলে হওয়া উচিত ছিল মানুষের ক্ষমতা বাড়ানো, তাকে পরনির্ভরশীল করা তো নয়। আমরা কি সত্যিই এমন এক দেশ গড়তে চেয়েছিলাম, যেখানে অভিজ্ঞতার চেয়ে আঙুলের ডগার গতি বেশি দামি?

আজ কিন্তু সত্যিই  সময় এসেছে এই ‘ডিজিটাল বর্ণাশ্রম’ নিয়ে প্রশ্ন তোলার। গতির জয়গানের মধ্যিখানে অন্তত একবার থামুন, পেছন ফিরে একবার অন্তত তাকিয়ে দেখুন আপনার ফেলে আসা পথের ধারে আপনারই অগ্রজরা আজ তাঁদের রক্ত দিয়ে স্বাধীন করা নিজেদের দেশে ‘পরবাসী’ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। স্বাধীনতার পরে এই এতগুলো দশক পার হয়ে এসেও আমরা কি সত্যিই স্বাধীনতার স্বাদ পাবার জন্যে যোগ্য হয়ে উঠতে পেরেছি ?

 

আরও পড়ুন:

মুষলপর্ব/বেবী সাউ

শূন্যতার রং নিয়ে বড়ো বেশি ভেবে চলো তুমি অথচ জলের কাছে প্রতিদিন শিখে নিই নীল…

পড়ুন

গ প্ পো ৫ – কুঁড়ে নিক্কির গল্পো/ বোধিসত্ব মৈত্রেয়

‘তা তোমার কৃষ্টাবেলের কি হোলো –’ তাড়া দিল স্কুয়া।   ‘কৃষ্টাবেলের কথা পরে। আরে নিক্কির…

পড়ুন

আমাজনের চার অধ্যায়/চৈতালি চ্যাটার্জি 

কালো , আঁধারের মাঝে ;   কুচকুচে কালো চারিপাশ, তারই মাঝে কিছু আলোর বিন্দু ফুটে…

পড়ুন

আমাকে আসলে কেমন দেখায় / নাসরীন জাহান

আমাকে কি খুব উদ্ভট দেখায় ? চক্রাকারে বাসটা মোচড় দিয়ে উঠতেই এমন একটা ভাবনা আমাকে…

পড়ুন

মন্দির দেখা সহজ নয়/শ্রীলা বসু

বেড়ানোর পোকাটা আমার মাথায় এসেছে প্রধানত পৈতৃক সূত্রে। বাবার হাতে ম্যাপ টাইম টেবিল দেখতাম হরদম।…

পড়ুন

শহর/বিজয় সিংহ

ফেরার আগে যে তুমি অহৈতুকী ছিলে ফেরার পরে যে প্রাক গোধূলিরা অপ্রবাসে ঢোকে ফক্স কে…

পড়ুন

পিতা নোহসি/প্রতিভা সরকার

‘এই রানি, তোর বাবা সবসময় আমার বুকের দিকে তাকায়া তাকায়া কথা কয় ক্যান রে? বুড়াটা…

পড়ুন

ঘড়ি বন্ধ ছিল/বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়

লাফাতে লাফাতে বেরিয়ে যাবার পর টের পেলাম অনেকগুলো ভুল হয়ে গেছে। মাস্ক নিতে ভুলে গেছি।…

পড়ুন

পুরনো দিন নতুন দিন/শংকর চক্রবর্তী

মনে পড়ে সেইসব রবীন্দ্র-গানের সকাল সূর্যাস্তের থেকে মুক্তি পেয়ে ভাবলেশহীন কোনো সন্ধের পাশে বেজে উঠত…

পড়ুন

৩/৪ সি, তালতলা লেন / সুমিতা মুখোপাধ্যায়

বইয়ের নামঃ ৩/৪ সি, তালতলা লেন কবিঃ হিন্দোল ভট্টাচার্য আলোচকঃ সুমিতা মুখোপাধ্যায় ৩/৪ সি, তালতলা…

পড়ুন

খন্দকার গলির অন্ধকার / অলোকপর্ণা

ঘুমের ভিতর হেঁটে বেরানো আজও থামলোনি জাহান আরার। জাজিমে গতর এলানো মাত্র সে ঘুমের সাগর…

পড়ুন

মা সম্পর্কিত / প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী

কাকভোরে ঘুম ভাঙত। না, বোধহয় ভাঙাতেই হত। কয়েকটা চুড়ি-বালা-টুংটাং আওয়াজ- রান্নাঘর, পুজোঘর, উঠোন, শিউলিতলাজুড়ে সারাদিন…

পড়ুন

কাঠামো / অর্ণব চৌধুরী

গাছের কোটরে ভাঙাচোরা দেবীমূর্তি আছে পড়ে আঁধার-মিনারে ফুটে ওঠে তার সমাহার নিরিবিলি পথে আমি তার…

পড়ুন

বিমর্ষ জল ও উড়ন্ত লাল কার্পেট/গৌতম গুহ রায়

খবরটা সরাসরি ওকে দেয়নি কেউ, কিন্তু সকাল থেকেই বাড়িতে ফিশফিশ করা চাপাস্বরের কথাগুলো তার কানে…

পড়ুন

খেলার দৃশ্যান্তর/অনির্বাণ বসু

একতলা ক্লাবঘর। ন্যাড়া ছাদ। কাঠের দরজা। কোলাপ্সিবল। লাল মেঝেয় কালো বর্ডার। পলেস্তরা-খসা দেয়াল হালকা ঈষৎ।…

পড়ুন

সুন্দর যখন ভয়ংকর / হিন্দোল ভট্টাচার্য

দশ বছর আগের কথা। গেছিলাম ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স বলে এক অপরূপ জায়গায়। হিমালয়ের কোলে, এক…

পড়ুন

দি লাস্ট মিটিং/সমরজিৎ সিংহ

একটি রাস্তা । তারপর, আবার রাস্তা । তারপর সমাধি । তার উপর চাঁদের ছায়া ।…

পড়ুন

কাজের ভাষা, মুখের ভাষা/স্বপ্নময় চক্রবর্তী

যিনি কাঠের কাজ করেন, উনি বললেন, ‘এই কাঠের জিনিসগুলোকে আলাদা করে পালিশ করাবেন কেন? দোকান…

পড়ুন

গ প্ পো ২ – ধেড়ে দত্তি আর গুণীন অ্যাডামের গপপো / বোধিসত্ব মৈত্রেয়

সে অনে-ক অনে-ক দিন আগেকার কথা। তখন সুমুদ্দুরের জল এরকম নোনা নয়। বেশ মিষ্টি জল।…

পড়ুন

নির্বাচন / ঈশিতা ভাদুড়ী

কাকে বেছে নেব? অলিভপাতা, নাকি ধুঁতরোফুল? কে না জানে সঠিক নির্বাচন না হলে দু:খ পড়ে…

পড়ুন

অনন্ত সংলাপ/অর্পিতা কুণ্ডু

আমি: ঢেউ তো প্রোজ্জ্বল, তাতে তুমি বসে আছ শিরোচূড়ামণি। হাটের নাগর তুমি, ভিটায় নিমিত্ত সামগান…

পড়ুন

নামকরণ / ঋজুরেখ চক্রবর্তী

কোনও একদিন তুমি সেই উন্মত্ত কিশোরবেলার নাম রাখতে চেয়েছিলে নিপীড়িত জনতার সরণি। প্রকৃতিতে তখন প্রতিটি…

পড়ুন

গুঁড়োমশলা/কাবেরী গোস্বামী

সে এখন একটি অচল পয়সার মতন ফিরেও তাকায় না আর কেউ কারণ, সে আজ শুষ্ক…

পড়ুন

জোয়ার / বেবী সাউ 

যেভাবে জলের কাছে লিখে রাখি ত্যাগসূত্র আদি—   শরীর, গোপন মায়া ধীরে ধীরে নামে কঠিন…

পড়ুন

বাঁশি / অংশুমান কর 

বাঁশি যখন বেজে যায় তখন কী যে হয় এই পৃথিবীতে! মনে হয় এক শূন্য মাঠের…

পড়ুন

একা মানুষ, পঞ্চাশ অস্তিত্ব/চণ্ডী মুখোপাধ্যায়

বইয়ের নামঃ পেসোয়া অ্যান এক্সপেরিমেন্টাল লাইফ লেখক: রিচার্ড জেনিথ প্রকাশক: পেঙ্গুইন বুকস আলোচকঃ চণ্ডী মুখোপাধ্যায়…

পড়ুন

কলসপুর যাইনি / অমর মিত্র

অনেকবার  দীপিকাকে বলেছি, কলসপুর নিয়ে যাব। বলতে গেলে সেই বিয়ের পর থেকে। আমাদের যাওয়া হয়নি।…

পড়ুন

চৌষট্টি যোগিনী সমীপে / শর্মিষ্ঠা দাস

ভুবনেশ্বর শহরে এসেছি । আকাশপথে আমাদের দুর্গাপুর থেকে এখন মোটে একঘন্টাও নয় । কাজে অকাজে…

পড়ুন

কানুর বিয়ে/সুবর্ণা মণ্ডল

কানুর সেদিন খুব কান চুলকাচ্ছিল। আগের দিনের যে পায়রাটা হাত থেকে ফসকে গিয়ে শুধু একটা…

পড়ুন

গ প্ পো ৪ – পুঁটে দত্তিদের গপ্পো/ বোধিসত্ব মৈত্রেয়

টাটকা-ঝরা ঝুরো বরফের রাশ ঠেলে এগুচ্ছি আমি আর স্কুয়া। ধু ধু ফাঁকা রাজ্যিটা ভরা অরোরার…

পড়ুন

পিরিত/অভিমন্যু মাহাত

খুব টানটান ছিল বেদনা যত দিন যায় ভুল বাড়ে, প্রবঞ্চনাও বাড়ে স্মৃতিভ্রষ্ট সুতোয় পিরিতের বহি…

পড়ুন

তোমার প্রিয় কাব্যগ্রন্থের নাম/বর্ণালী কোলে

(১) বিদ্রোহ শান্ত হয়ে আসছে, শান্ত হয়ে আসছে জলকামান আক্রোশ শান্ত হয়ে আসছে, শান্ত হয়ে…

পড়ুন

অঙ্ক / তৃপ্তি সান্ত্রা

শচীনদার বউ উষা বৌদি মায়া আর মীরাকে দেখে খুব খুশী হলেন। কতদিন পরে এলে। কেমন…

পড়ুন

ভূতপূর্ব ভূত / অহনা বিশ্বাস

ভূতের নাম যে ভূত -গোটা গ্রাম সে কথা জানে। একবার রাস্তা থেকে ডেকে ওর মা…

পড়ুন

বাবা / মণিদীপা নন্দী বিশ্বাস

জানলার ধারে রোদ পোহাও তুমি কত দশক… সন্তানের কতগুলো ভুল ভুল কাজের নির্জন সাক্ষী হয়ে…

পড়ুন

পথ রুধে রবীন্দ্রঠাকুর: বাংলা গানে পথ চলা/অভ্র বসু

সম্প্রতি একটি বিতর্কসভায় থাকবার সুযোগ হয়েছিল, যেখানে বিতর্কের বিষয় ছিল: রবীন্দ্রনাথের গান আর বর্তমান প্রজন্মের…

পড়ুন

দিনলিপি/প্রবালকুমার বসু

ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের কথা মনে পড়ে কথা দিয়ে না রাখতে পারার মতন অনর্থক গ্লানি  …

পড়ুন

প্রেম বলিনি/যশোধরা রায়চৌধুরী

আমি তোমার ছোট্টবেলার বোকা তুমি আমার আনন্দ জিমখানা আমি তোমার তাসের হাতের পোকার তুমি আমার…

পড়ুন

শিশিরকুমার দাশ: খুঁজে ফিরি কর্ণ, কর্ণের সহোদর/মোস্তাক আহমেদ

মৃত্যুলগ্ন পার হয়ে যতবার গিয়েছি নিঃসীমে বিদ্যুতের দীপ হাতে: অন্ধকারে আকাশের বিস্তৃতি অপার বিদ্রোহী ঝড়ের…

পড়ুন

তৃতীয় চোখের বসুধা / জগন্নাথ দেব মণ্ডল

আকাশ মেঘে ভার।টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে। শরৎ সকালে বাজারে বিক্রিবাট্টা নেই । দোকানদার, খেটে খাওয়া, দিন…

পড়ুন

স্পর্শ, স্পর্শাতীত… / সৌরভ মুখোপাধ্যায়

তাহলে আলোর কথা জেনে নেব কাহার সমীপে? তাহলে দুপুরশব্দ,একমনে পাখিটির স্নান? তবে কে জানাবে বলো…

পড়ুন

গ প্ পো ৩ – ধেড়ে দত্তি স্যাক্সি আর হারমানের গপপো/ বোধিসত্ব মৈত্রেয়

টিং-টিং, টুং-টুং, এক ছোট্ট ঘণ্টার মিষ্টি আওয়াজ আসছে কোথা থেকে? হাতড়াতে থাকি এদিক ওদিক। জঙ্গুলে…

পড়ুন

কালীপুজোয় আকালীপুর / ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

বাতাসে অল্প হিমেল গন্ধ আর সঙ্গে শিউলির শেষ রেশটুকুনি নিয়ে শহর ছেড়ে রাঙামাটির পথে পাড়ি…

পড়ুন

গ প্ পো ১ – গ্যানগ্যানের দেখা পেলুম / বোধিসত্ব মৈত্রেয়

গ্যানগ্যানের দেখা পেলুম সেই সাত-সুমুদ্দুর তেরো নদীর পারের দেশে। সে বড় আজব দেশ। সে দেশের…

পড়ুন

আপনার লেখা প্রকাশ করার জন্য

কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, অনুবাদ এবং অন্যান্য লেখা