চৌষট্টি যোগিনী সমীপে / শর্মিষ্ঠা দাস

ভুবনেশ্বর শহরে এসেছি । আকাশপথে আমাদের দুর্গাপুর থেকে এখন মোটে একঘন্টাও নয় । কাজে অকাজে এ শহরে তো লোকজনের আনাগোনা লেগেই থাকে–আমরা এখান থেকে পুরীধামে যাই, চিল্কাতে জলবিহার করি, লিঙ্গেশ্বর মন্দির দর্শন করি –অথচ —
যে ‘কিন্তু’ আর ‘অথচ’ আমাকে এবার রথে চাপাল-সারথি বলল–উধার তো কোই যাতা নেহি। বললাম –সেই জন্যেই তো। উচ্চবর্ণের দেব দেবী হলে টিকিট কেটে সর্পিল লাইনে দাঁড়িয়ে দর্শন পেতে হত। অথচ —
শহর ছাড়িয়ে এগিয়ে চলেছে শকট। ওই যে ভার্গবী নদী। গবাদি পশু ও মানুষের জলকেলি পুরাকালের মতোই দৃশ্যমান। ডানদিকে ভার্গবী কিছুটা সময় সঙ্গ দিল , চোখে চোখে খেলা হল –তারপর খেলা ছেড়ে বাম দিকে পথ গেল বেঁকে। ফাঁকা পথ। শকট থামল। পুরাতত্ত্ব বিভাগের বোর্ড –নবম শতাব্দীর নির্মাণ। অথচ কোনো ট্যুরিস্ট নেই। সেই –‘অথচ’ !

‘আমি যোগিনী হইয়া দেশে দেশে ঘুরি — বা তোমার লাগিয়া যোগিনী পারা’ এই সব পদ যে তাড়িয়ে এনেছে আমাকে এখানে।
এসেছি ভুবনেশ্বর শহর থেকে মাত্র কুড়ি কিলোমিটার দূরে, কোমল মসৃণ পথ বেয়ে—‘চৌষট্টি যোগিনী মন্দির’ দেখতে ! ভুবনেশ্বর শহরে আধা শতাব্দী বাস এমন অনেক মানুষ আসেনি কখনো। জানেই না অনেকে ।
কেন ? ভয়, অবহেলা অথবা ইগোর কারণে ? নারীশক্তি যদি জাগ্রত হয় –তাহলে যে বড় ভয়।
ইহজগতের সমস্ত লোভ, মায়া, স্বার্থপরতা, কুটিলতা ত্যাগ করে যোগিনী হতে হয়। যোগিনীরা আদিশক্তি মহামায়ার অংশ। বৈদিক শাস্ত্রে কোমল ঐশ্বরিক ক্ষমতাযুক্ত দেবীদের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে , কারণ তাদের বেদীতে বসিয়ে পুরুষতান্ত্রিক ইচ্ছে মতো পুজো করা যাবে, তাঁরা বেদী থেকে নেমে কোনো ইন্টারাকশনে আসবেন না। কিন্তু যোগিনীরা মহা শক্তিধর , তাঁরা ছেড়ে কথা কইবার মেয়ে নয় । সুতরাং –যোগিনীদের আলগোছে ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছেন বেদ প্রণেতারা।
যোগিনীদের প্রথম উল্লেখ ভারতীয় সাহিত্যে ষষ্ঠ শতাব্দীর হিন্দু অগ্নি পুরাণে পাওয়া যায়। পরে কালীতন্ত্র, তন্ত্রসিদ্ধান্ত, মহাচণ্ডীপুরাণ, এবং কালীপুরাণ –এসব গ্রন্থে যোগিনীদের উল্লেখ আছে।
নবম শতাব্দী থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত ভারতে যোগিনীচর্চা তুঙ্গে উঠেছিল, পরে তা স্তিমিত হয়ে যায় ।
ভারতবর্ষে ৬৪ যোগিনীর পূজার জন্য বিশেষ মন্দির নির্মিত হয়েছিল সেই সময় । ৬৪ যোগিনী মন্দির ভারতের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়, বিশেষত মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ অঞ্চলে। এসব মন্দিরে ৬৪টি যোগিনীর মূর্তি বা চিত্র থাকত এবং তাদের পূজা করা হত। বর্তমানে যে কয়টি মন্দির টিঁকে আছে —
বীরভদ্র মন্দির ভুবনেশ্বর,
চন্দ্রভাগা মন্দির,বিলাসপুর মধ্যপ্রদেশ,কচ্ছ গুজরাট,
হীরাপুর ভুবনেশ্বর, রানীপুর ঝাড়িয়াল,খাজুরাহোর রিখিয়ান উপত্যকা ।
চারটি মন্দির সবচেয়ে অক্ষত –তার একটি এই হীরাপুর মন্দির। ভুবনেশ্বরে হীরাপুরের মন্দিরটি আরো উল্লেখযোগ্য এই কারনে যে মনে করা হয় এটি ভারতের প্রথম চৌষট্টি যোগিনী মন্দির। আনুমানিক ৮৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত। ভৌম রাজবংশের রাণী লোণভদ্র ওরফে শান্তিকরদেব দ্বিতীয় হীরাদেবী প্রতিষ্ঠা করেন।

এই মন্দিরে তাঁদের নির্দিষ্ট স্থানে ছাপ্পান্নটি যোগিনী মূর্তি এখনো বিদ্যমান –হাজার বছর একদম খোলা হাওয়া জল বাতাস প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে পুরোপুরি অক্ষত নন কেউ, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ লুপ্ত হয়েছে কিন্তু চেনা যায় বেশ। সব ৬৪ যোগিনী মন্দিরের নিয়ম ছিল মন্দিরে কোনো ছাদ থাকবে না –উন্মুক্ত আকাশতলে থাকবেন যোগিনীমূর্তিরা। এই বিনা ছাদের হাইপেথ্রাল স্থাপত্য দেখা যায় সব কটি মন্দিরে । এর পেছনে কারণ হল –বিশ্বাস করা হত যোগিনীরা যখন তখন ইচ্ছেমতো আকাশে ওড়েন আবার ফিরে আসেন। ছাদ যাতে তাঁদের এই অবাধ যাতায়াতে কোনো বাধা সৃষ্টি না করে। দেখে শুনে ভাবি আহা –সব মেয়েদের যদি এমন ডানা থাকত।

এবার প্রবেশ করব মূলমন্দিরে। বেলেপাথরের বৃত্তাকার দেয়ালটাই মন্দিরের মূল নির্মাণ। বেলেপাথরগুলো নিশ্চই প্রাচীন নির্মাণপদ্ধতিতে খিল দিয়ে লক করে করে গাঁথা , নইলে এত বছর ঝড় জল ভূমিকম্পে এমন অটুট থাকে? খুব নীচু খোলা দরজা । শরীর বেঁকিয়ে মাথা খুউব নীচু করে প্রবেশ করতে হয় –নিজেকে অবনত করার শিক্ষার প্রথম ধাপ। বৃত্তের কেন্দ্রে একটা উঁচু বেদী–এরা চাঁদ বেদী বলে, সেখানে সম্ভবতঃ মহাকাল ভৈরবের মূর্তি, কেউ বলেন শিবের। তার সামনে বৃত্তের মাঝখানে কালীমূর্তি যা এখনো পুজা পায়।। নীচু বৃত্তাকার দেয়ালের ভেতরদিকে চৌষট্টিটি খোপ –সেই যোগিনীদের জন্য।
কারা এই যোগিনী ?
৬৪ যোগিনী হলেন ৬৪টি বিভিন্ন শক্তির অধিকারী দেবী–কঠোর সাধনা দ্বারা অর্জিত সেই শক্তি তারা প্রয়োজন মতো প্রয়োগ করতে পারেন বলে বিশ্বাস করা হত।
৬৪ যোগিনী মূলত আদি মহামায়া মাতৃশক্তির বিভিন্ন রূপ। তন্ত্র এবং আধ্যাত্মিক সাধনার মিলনে উদ্ভূত এক পথে কঠিন সাধনা করে এই ‘যোগিনী’ হওয়া সম্ভব ।
এই ৬৪ যোগিনীর মধ্যে কিছু দেবী ধ্বংসকারী, কিছু সৃষ্টিকারী, কিছু সৌন্দর্য বা শৃঙ্খলার প্রতীক, কিছু দেবী বিদ্যা সঙ্গীতের সাধক।
যেমন —
আগ্রা – জ্ঞান ও ভক্তির প্রতীক।
অদিতি – শক্তির দেবী, আধ্যাত্মিক শক্তির মূল উৎস।
ব্রাহ্মী – বুদ্ধি, জ্ঞান, এবং সৃষ্টি শক্তির দেবী। কৌমুদী – শান্তি ও সৌন্দর্যের দেবী।
কোচেলী – নৃত্যশিল্পী ও সৌন্দর্যের প্রতীক। চামুন্ডা – শত্রু দমনকারী, শক্তির দেবী।
চিত্রা – সৌন্দর্য ও সৃষ্টির দেবী।

এমনিভাবে চৌষট্টি জন যোগিনীর প্রত্যেকের নির্দিষ্ট শক্তি ও সাধনার নিজস্ব ক্ষেত্র আছে। গুরু শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে সাধারণ মানবীও যোগিনী সাধনা করতেন।
মূর্তিগুলির সবার নিজস্ব বাহন আছে। অধিকাংশ যোগিনী একটি পুরুষের মাথার উপর পা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন । কালো কষ্টিপাথরে খোদিত মূর্তির মধ্যে বিজয়িনী ভাব ভীষণভাবে প্রস্ফুটিত–নারীশক্তির এই জয় খুব আনন্দ দিল। বস্তুতঃ এই যোগিনীরা স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিলেন –কোনো পুরুষের উপর নির্ভর করে জীবন কাটাতেন না। ধনুর্বাণ নিক্ষেপের ভঙ্গীতে এক তেজস্বিনী যোগিনীর শরীরের অপূর্ব বিভঙ্গ দেখে তো আমি এমন মুগ্ধ হয়ে গেলাম যে ঘুরে ফিরে তার সামনে এসে দাঁড়াই , মনে মনে বলি –দীক্ষা দাও।
সমকালে কোন মেয়ে কতটা বক্ষ বিভাজিকা দেখাবে কি দেখাবে না তা নিয়ে কত বিতর্ক ! এই পূজিতা যোগিনীদের প্রত্যকের শরীরের উর্ধ্বভাগ উন্মুক্ত –কি স্বর্গীয় শোভা তাঁদের স্তনযুগলে । গলার অলঙ্কার গুলো –কি ভার্সেটাইল আধুনিক ডিজাইন , প্রত্যেকের আলাদা নক্সা। এখনকার ব্রান্ডেড অলঙ্কার কোম্পানিরা নির্ঘাৎ এসব প্রাচীন মূর্তি থেকে টুকলি করে।
ভগ্ন সব মূর্তি, এত জন যোগিনীর বাহন , এক একজনের হাতে তাদের সাধনার এক একটা প্রপস্–এত কিছু তো জানা নেই। সবাইকে চেনা বা আলাপ হল না । কিন্তু নিস্তব্ধ দেয়ালের বৃত্তের মাঝখানে একা দাঁড়িয়ে এক অলৌকিক অনুভূতি ! সব যোগিনী যেন আমাকে দেখছে, ডাকছে, তাদের অধীত বিদ্যার কথা বলতে চাইছে, কেউ যেন চায় আবার করে তাঁর কথা প্রচার হোক। কখনো মনে হল –বড় দুঃখে আছে তারা , কখনো স্বদর্পে।
সব চৌষট্টি যোগিনী মন্দির দেখা যায় জনবসতি থেকে বহুদূরে, জনমানবশূন্য এলাকাতে। এর কারণ হতে পারে যাতে শহরের হৈহট্টগোল তাদের সাধনাতে ব্যাঘাত না ঘটায়। অথবা কিছুটা কৌলিন্যহীন দেবী বলে ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে তাঁদের ঐ শহরের বাইরে রাখা । তন্ত্রসাধনা অবশ্য নির্জনে নিভৃতেই হয় ।

আর একবার পিছু ফিরে তাকালাম–চৌষট্টি কন্ঠে যোগিনীদের সম্মিলিত ফিসফিস–“সেযুগে মেয়েদের মুখে ঠুলি, হাতে পায়ে শিকলি–এই ছিল আমাদের একমাত্র উপায়। শিক্ষা,সঙ্গীত,নৃত্য,চিত্রকলা, যুদ্ধবিদ্যা সব অর্জন করেছি আমরা যোগিনী হয়ে–চরম নিষ্ঠা, কৃচ্ছসাধন, আত্মসংযম, পরিশ্রম , অনেক কষ্ট করেছি-তবেই না ! ”

মূল বৃত্তাকার মন্দিরের বাইরে একটা বিরাট মঞ্চ, ছোট ছোট কিছু মন্দির। প্রকান্ড এক পুষ্করিণী।

ঘুরেফিরে সব স্থাপত্য দেখলাম , হাজার বছর কোথায় নিমেষে মিলায়। তবু, কি যেন এক অতৃপ্তি থেকে গেল। বেরোনোর মুখে এক চিত্রকরের ছোট্ট এক কামরার কুটির। এক মনে ভেষজ রঙে,কাগজে কাপড়ে তালপাতায় যোগিনীদের এঁকে চলেছেন। নিতান্ত দীন এক শিল্পীর স্টুডিয়ো । পটচিত্রে সরু তুলির তুখোড় টান দেখে মজেই গেলাম। অর্থমূল্যে দুটি যোগিনীর সাদা কালো পট কিনলাম –সরস্বতী ও নর্মদা। চেনা বাকদেবী নন। চতুর্ভুজা ,হাতে বীণা কিন্তু ফণাধর সর্পের উপর দন্ডায়মাণা ইনি। একটি হাত মুখের কাছে , চিত্রকর বললেন –যোগিনী সরস্বতীর মুখে গুম্ফ আছে , নান্দনিকতা বজায় রাখার জন্য হাত দিয়ে তা ঢাকার প্রচেষ্টা। এই গুম্ফ নিশ্চই কিছু প্রতিকী-ভাবতে হবে।
কুটির থেকে মাথা নীচু করে বেরিয়ে আসছি , চিত্রকর পিছু ডাকলেন –মা, আপনি কি সাধিকা?
শরমে মরে বলি –না না মোটেই না
চিত্রকর আবার বলেন –আমি কিছু সাধিকা লক্ষণ দেখলাম যে আপনার মধ্যে।
আমার হিসেবি মন মনে মনে বলে –যতই পটাও, দুটো পট কিনেছি, আর পট কিনছি না।
মুখে বলি –না ভাই, আমি সাধিকা নই। আমার যে অনেক লোভ -জীবনের সব আনন্দ খুঁটে খুঁটে খাওয়ার লোভ। এই জীবনের কখনো গোলাপ যুঁই কখনো কাঁকর কাঁটা পথেই চলব –যোগিনী হতে চাই না কোনো জন্মেও ।

আরও পড়ুন:

গ প্ পো ২ – ধেড়ে দত্তি আর গুণীন অ্যাডামের গপপো / বোধিসত্ব মৈত্রেয়

সে অনে-ক অনে-ক দিন আগেকার কথা। তখন সুমুদ্দুরের জল এরকম নোনা নয়। বেশ মিষ্টি জল।…

পড়ুন

বাঁশি / অংশুমান কর 

বাঁশি যখন বেজে যায় তখন কী যে হয় এই পৃথিবীতে! মনে হয় এক শূন্য মাঠের…

পড়ুন

বাবা / মণিদীপা নন্দী বিশ্বাস

জানলার ধারে রোদ পোহাও তুমি কত দশক… সন্তানের কতগুলো ভুল ভুল কাজের নির্জন সাক্ষী হয়ে…

পড়ুন

তৃতীয় চোখের বসুধা / জগন্নাথ দেব মণ্ডল

আকাশ মেঘে ভার।টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে। শরৎ সকালে বাজারে বিক্রিবাট্টা নেই । দোকানদার, খেটে খাওয়া, দিন…

পড়ুন

নামকরণ / ঋজুরেখ চক্রবর্তী

কোনও একদিন তুমি সেই উন্মত্ত কিশোরবেলার নাম রাখতে চেয়েছিলে নিপীড়িত জনতার সরণি। প্রকৃতিতে তখন প্রতিটি…

পড়ুন

কালীপুজোয় আকালীপুর / ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

বাতাসে অল্প হিমেল গন্ধ আর সঙ্গে শিউলির শেষ রেশটুকুনি নিয়ে শহর ছেড়ে রাঙামাটির পথে পাড়ি…

পড়ুন

জোয়ার / বেবী সাউ 

যেভাবে জলের কাছে লিখে রাখি ত্যাগসূত্র আদি—   শরীর, গোপন মায়া ধীরে ধীরে নামে কঠিন…

পড়ুন

ঘড়ি বন্ধ ছিল/বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়

লাফাতে লাফাতে বেরিয়ে যাবার পর টের পেলাম অনেকগুলো ভুল হয়ে গেছে। মাস্ক নিতে ভুলে গেছি।…

পড়ুন

সুন্দর যখন ভয়ংকর / হিন্দোল ভট্টাচার্য

দশ বছর আগের কথা। গেছিলাম ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স বলে এক অপরূপ জায়গায়। হিমালয়ের কোলে, এক…

পড়ুন

পথ রুধে রবীন্দ্রঠাকুর: বাংলা গানে পথ চলা/অভ্র বসু

সম্প্রতি একটি বিতর্কসভায় থাকবার সুযোগ হয়েছিল, যেখানে বিতর্কের বিষয় ছিল: রবীন্দ্রনাথের গান আর বর্তমান প্রজন্মের…

পড়ুন

গ প্ পো ৩ – ধেড়ে দত্তি স্যাক্সি আর হারমানের গপপো/ বোধিসত্ব মৈত্রেয়

টিং-টিং, টুং-টুং, এক ছোট্ট ঘণ্টার মিষ্টি আওয়াজ আসছে কোথা থেকে? হাতড়াতে থাকি এদিক ওদিক। জঙ্গুলে…

পড়ুন

ভূতপূর্ব ভূত / অহনা বিশ্বাস

ভূতের নাম যে ভূত -গোটা গ্রাম সে কথা জানে। একবার রাস্তা থেকে ডেকে ওর মা…

পড়ুন

মা সম্পর্কিত / প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী

কাকভোরে ঘুম ভাঙত। না, বোধহয় ভাঙাতেই হত। কয়েকটা চুড়ি-বালা-টুংটাং আওয়াজ- রান্নাঘর, পুজোঘর, উঠোন, শিউলিতলাজুড়ে সারাদিন…

পড়ুন

কাঠামো / অর্ণব চৌধুরী

গাছের কোটরে ভাঙাচোরা দেবীমূর্তি আছে পড়ে আঁধার-মিনারে ফুটে ওঠে তার সমাহার নিরিবিলি পথে আমি তার…

পড়ুন

কলসপুর যাইনি / অমর মিত্র

অনেকবার  দীপিকাকে বলেছি, কলসপুর নিয়ে যাব। বলতে গেলে সেই বিয়ের পর থেকে। আমাদের যাওয়া হয়নি।…

পড়ুন

৩/৪ সি, তালতলা লেন / সুমিতা মুখোপাধ্যায়

বইয়ের নামঃ ৩/৪ সি, তালতলা লেন কবিঃ হিন্দোল ভট্টাচার্য আলোচকঃ সুমিতা মুখোপাধ্যায় ৩/৪ সি, তালতলা…

পড়ুন

প্রেম বলিনি/যশোধরা রায়চৌধুরী

আমি তোমার ছোট্টবেলার বোকা তুমি আমার আনন্দ জিমখানা আমি তোমার তাসের হাতের পোকার তুমি আমার…

পড়ুন

খন্দকার গলির অন্ধকার / অলোকপর্ণা

ঘুমের ভিতর হেঁটে বেরানো আজও থামলোনি জাহান আরার। জাজিমে গতর এলানো মাত্র সে ঘুমের সাগর…

পড়ুন

আমাজনের চার অধ্যায়/চৈতালি চ্যাটার্জি 

কালো , আঁধারের মাঝে ;   কুচকুচে কালো চারিপাশ, তারই মাঝে কিছু আলোর বিন্দু ফুটে…

পড়ুন

গ প্ পো ১ – গ্যানগ্যানের দেখা পেলুম / বোধিসত্ব মৈত্রেয়

গ্যানগ্যানের দেখা পেলুম সেই সাত-সুমুদ্দুর তেরো নদীর পারের দেশে। সে বড় আজব দেশ। সে দেশের…

পড়ুন

নির্বাচন / ঈশিতা ভাদুড়ী

কাকে বেছে নেব? অলিভপাতা, নাকি ধুঁতরোফুল? কে না জানে সঠিক নির্বাচন না হলে দু:খ পড়ে…

পড়ুন

স্পর্শ, স্পর্শাতীত… / সৌরভ মুখোপাধ্যায়

তাহলে আলোর কথা জেনে নেব কাহার সমীপে? তাহলে দুপুরশব্দ,একমনে পাখিটির স্নান? তবে কে জানাবে বলো…

পড়ুন

অঙ্ক / তৃপ্তি সান্ত্রা

শচীনদার বউ উষা বৌদি মায়া আর মীরাকে দেখে খুব খুশী হলেন। কতদিন পরে এলে। কেমন…

পড়ুন

আমাকে আসলে কেমন দেখায় / নাসরীন জাহান

আমাকে কি খুব উদ্ভট দেখায় ? চক্রাকারে বাসটা মোচড় দিয়ে উঠতেই এমন একটা ভাবনা আমাকে…

পড়ুন

দিনলিপি/প্রবালকুমার বসু

ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের কথা মনে পড়ে কথা দিয়ে না রাখতে পারার মতন অনর্থক গ্লানি  …

পড়ুন

আপনার লেখা প্রকাশ করার জন্য

কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, অনুবাদ এবং অন্যান্য লেখা