আমি: ঢেউ তো প্রোজ্জ্বল,
তাতে তুমি বসে আছ শিরোচূড়ামণি।
হাটের নাগর তুমি, ভিটায় নিমিত্ত সামগান —
তোমাকেই বর্মে বৃত্তে চুপিসাড়ে রোমন্থন করি।
যেমত অছিলা পটিয়সী,
যে মৃদু চারণভূমি পার করে কাছে আসি, তার
কিঞ্চিৎ আদর কোরো। বহুবর্ণ লোক সমাগমে
একেলা ফেলো না তাকে রৌদ্র-বাতায়নে।
সে: না সখি, না, বাতায়ন-পাশে
তোমার শরীর মুক্ত, জনশ্রুতি এই —
পীনোন্নত বাসনা তোমার, শিখী-পাখা,
ছন্দে ছন্দে কাঁপে বসন্ত বাতাসে।
আমাকেই ডেকেছে সে, প্রগাঢ় সঙ্গমে
শরীরে শরীর লেগে নক্ষত্র প্রলয়, মহাকাশ।
তোমার চরণ প্রান্তে অতঃপর অববাহিকায়
শূন্য থেকে নদীপথে সভ্যতার যাত্রা শুরু হয়।












































