গ প্ পো ৫ – কুঁড়ে নিক্কির গল্পো/ বোধিসত্ব মৈত্রেয়

‘তা তোমার কৃষ্টাবেলের কি হোলো –’ তাড়া দিল স্কুয়া।

 

‘কৃষ্টাবেলের কথা পরে। আরে নিক্কির সে যা দশা–“ বুড়ী গ্যানগ্যান কুলকুলিয়ে হাসির বানে ডোবা। ‘নিক্কি-নিক্কি’ বলে আর বুড়ী হাসে। হাসি যেন আর থামতেই চায় না। অনেক কষ্টে হাসি চাপা। ‘আরে শোন তাহলে নিক্কির দশাটা –

 

সে অনেক কাল আগের ঘটনা –। আমার গ্যানগ্যানের শোনা- তার গ্যানগ্যানের কাছে। তার গ্যানগ্যান শুনেছিল তার গ্যানগ্যানের কাছে। ঘটনা সবই সত্যি। ইন্দিষ্টারে পিক্‌ট্-দের গড়টা দেখেছিস তো। সেখান থেকে পাহাড়ে পথটা ঢাল দিয়ে নিচের দিকে গড়ানে। ঐ পথের ধারেই নিক্কির ঘর। ওর আশ-পাশের ফাঁকা বাদা আর মাঠগুলোতে পুঁটেদত্তিগুলোর একচেটে রাজত্বি। তা তাদের তো কেউই আর চোখে দেখতে পায় না। নিক্কি কিছু না জেনেই ঘর বেঁধেছিল ওখানে। পাহাড়ের গায়ে জমিগুলোতে চাষ-আবাদ করার মতলবে। বছর দুই জমিতে এন্তার ফসল। জমি তো নয় সোনার থাল। নিক্কির ঘরে বস্তা বস্তা ওট। গোলা ভর্তি গম-যব। তাজা ঘাস আর খড় খেয়ে নিক্কির গরুর বড় বড় বালতি ভরা দুধ। সেই দুধে নিক্কির বাড়িতে মাখন চীজের ছড়াছড়ি। ভেড়াগুলো গায়গতরে বেশ ভারী। যেমন মাংস তেমনি লোম। পশমে ঘর ভর্তি। চাষের দানা খেয়ে নিক্কির মুর্গীরা কেঁদো কেঁদো। টাটুগুলোর গতরও ঘাস-দানাতে ধাঁই-পাঁই। তাদের ছাঁই গুষ্টির দলে বাড়-বাড়ন্ত। নিক্কি আর তার গিন্নী আল্লাদে ফাটো ফাটো। তখন দুটোতে কেবল গেলে আর কম্বল মুড়ি দিয়ে বিছানায় পিপের মতো গড়ায়। কটা দিনেই দুই কত্তা-গিন্নী গিলে গিলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে একেবারে কুমড়ো-পটাশ। তা হবে না কেন।

 

গায় গতরে ধরল ঘুণ

 

শুধু গেলে আর লাগায় ঘুম।

 

দুটোতে এখন বেজায় কুঁড়ে আলসে। নিক্কি কোন রকমে উঠে একটু জমি চষে ঢিকিয়ে ঢিকিয়ে। ঘরে ফিরেই আকণ্ঠ খেয়ে আবার ঢুক করে শোয়া। তারপর ভোঁস ভোঁস তার নাকডাকানি। তার গিন্নীও তাই–

 

সারালো জমি। যা চষেছে তাতেই অঢেল ফসল। নিক্কি ঘুম ভেঙে ঘরে শুয়ে শুয়ে তাই দেখে। ফসল এক সময়ে পেকেও ওঠে। নিক্কির আর অবসর হয় না সেগুলো কাটার। বৌকে বলে যা না ওগুলো কেটে ঘরে তোল –বৌ বলে–

 

মুর্গী ভেড়া শুয়োর গরু টাট্টু ঘোড়া

ওদের কন্না করতে করতে

আমার দুটো হাতই জোড়া–

তা ফসল কাটতে যাই কখন–

 

এদিকে আশপাশের পড়শীদের খামার ভর্তি কাটা ফসলে। সেখানে গাদার পর গাদা। নিক্কির গতরই ওঠে না। ফসল কাটতে ইচ্ছেই করে না। একরাতে বিছানায় ঢোকার আগে বাড়ির বার দরজায় দাঁড়িয়ে তার খুব নীচু গলায় আপন মনে কথা–

 

যদি ঘুম ভাঙলেই দেখতে পাই

 

রাতারাতি ফসল কেটে

 

কেউ করেছে ঘর বোঝাই

 

তাকে দোব আমার সেরা দুধেল গাই

 

খুব ভোরে ভেঙেছে নিক্কির ঘুম। জানালা ফাঁক করে সে দেখে বাইরের দিকে। এটা তার রোজকার অব্যেশ। আবহাওয়ার হালচাল দেখার জন্যে। আর শুধু নিক্কি কেন আমাদের এ অঞ্চলের সব চাষীদেরই এটা নিত্তিকার কাজ। তা জানলা খুলতেই নিক্কির চোখ কপালে। সামনে ওটে ভরা ক্ষেতটা বিলকুল সাফ সুরত –

 

নিক্কি ভাবল বুঝি বা স্বপ্ন। দুটো চোখ তালুতে রগড়ে আবার তার নজর ক্ষেতের দিকে। নাঃ ওট গাছও নেই। ধড়মড়িয়ে বিছানা ছেড়ে নিক্কির দৌড় খামারের দিকে। দেখে সেখানে সব কাটা ওটের তড়পা থরে থরে গাদা দিয়ে সাজানো। তাই দেখে নিক্কির নিজের মাথার চুল শক্ত মুঠোয় ধরে ঝাঁকানি। একি অসম্ভব ব্যাপার রে বাবা একরাতে পুরো ক্ষেতের ফসল কাটা সারা-

 

হঠাৎ তার মনে ভাবনার ঝিলিক। মনে পড়ল তার দেওয়া কথা। যদি কেউ ওট কেটে খামারে গাদা করে দেয় তাহলে তাকে সে তার গোয়ালের সেরা দুধেল গাইটা দেবে। তাহলে কি তার আপন মনে বলা কথাগুলো শুনে ফেলেছে পুঁটে দত্তি ট্রো-গুলো। দৌড়ে নিক্কি ঢুকল গোয়াল-ঘরে। দেখে যা ভেবেছে তাই ঠিক। সবচেয়ে সেরা দুধেল গাইটা গোয়াল থেকে লোপাট। বড় পেয়ারের গাই সেটা নিক্কির। ভাবল হয়তো কোন রকমে বেরিয়ে গেছে গাইটা গোয়াল থেকে। খুঁজতে বেরুল নিক্কি।

 

এদিকে যায় ওদিকে যায় গরু নি-পাত্তা। গরুটার শোকে নিক্কি আধা-পাগল। সাত সকালে বাড়ির থেকে ছিটকে শুকনো মাঠে। সামনে হাওড় আর বাদা। খেয়াল নেই। হাঁটছে হন হন করে। হঠাৎ দূরের থেকে কার ডাক কানে। ‘হাই – নিক্কি ভাই শোন শোন’। নিক্কি দেখে হাত তুলে দৌড়ে আসছে তার পড়শী জোসুয়া। হাঁপাতে হাঁপাতে জোসুয়ার কথা, ‘কাল রাতে তোমার ক্ষেতে আজব কাণ্ড। আমি রাতে বেরিয়ে ছিলুম আমার হারিয়ে যাওয়া একটা ভেড়ার খোঁজে। দেখি একদল পুঁটে দত্তি ঝপাঝপ তোমার ক্ষেতের ওট কাঠছে। তড়পা বাঁধছে। আর এক সুরে গান গাইছে-

 

একের পর এক তড়পা বাঁধি

ফুর্তি করে গলা সাধি।

খাটলে খুটলে থাকি ভালো

যতক্ষণ না ফুটছে আলো। নেবো নিক্কির দুধেল গাই।

গতর রাখতে দুধতো চাই।

হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ

 

গানের সঙ্গে সে কি চটপট কাজ পুঁটে দত্তিগুলোর। ঘণ্টা খানেকের ভেতর পুরো ক্ষেতটা সাফ। খামারে তড়পা গুছিয়ে গাদা দিয়ে সব কাজ খতম। যাবার সময় গোয়াল থেকে তোমার সেরা দুধেল গাইটা বের করে টেনে নিয়ে গেল। কাজেই সেটা আর তুমি খুঁজতে যেও না’

 

‘তা তোমার কৃষ্টাবেলের কি হল’ গ্যানগ্যানের কথা শেষ হতেই খোঁচাল স্কুয়া। এদিকে গরম গরম প্যান কেক সে এনে ফেলেছে সামনে। আমরা সবাই তুলে নিচ্ছি নিজের নিজের প্লেটে। স্কুয়া গ্যানগ্যানের প্লেটে খান চারেক দিয়ে বললে, কেমন হয়েছে খেয়ে দেখ গ্যানগ্যান। চীজের প্যান কেক। আমাদের পাড়ার বিল পেট্রীর বাড়ী থেকে পাঠিয়েছে চীজ। তোমার জন্মদিনে গুড উইশ করে –

 

‘দারুন সোয়াদ রে’ এক টুকরো গ্যানগ্যান মুখে তুলে বললে, ‘তুই পাকা রাঁধুনি। তোর বর হোক হিলান ম্যাকলাখান গুষ্টির সেই ছোঁড়াটা। এবার আবার্ডিনে গিয়ে তাকে পাকড়াও করবি। এতদিনে তার ইউনিভার্সিটির পড়া নিশ্চয় শেষ হয়েছে-‘

 

আরও পড়ুন:

মা সম্পর্কিত / প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী

কাকভোরে ঘুম ভাঙত। না, বোধহয় ভাঙাতেই হত। কয়েকটা চুড়ি-বালা-টুংটাং আওয়াজ- রান্নাঘর, পুজোঘর, উঠোন, শিউলিতলাজুড়ে সারাদিন…

পড়ুন

একা মানুষ, পঞ্চাশ অস্তিত্ব/চণ্ডী মুখোপাধ্যায়

বইয়ের নামঃ পেসোয়া অ্যান এক্সপেরিমেন্টাল লাইফ লেখক: রিচার্ড জেনিথ প্রকাশক: পেঙ্গুইন বুকস আলোচকঃ চণ্ডী মুখোপাধ্যায়…

পড়ুন

অনন্ত সংলাপ/অর্পিতা কুণ্ডু

আমি: ঢেউ তো প্রোজ্জ্বল, তাতে তুমি বসে আছ শিরোচূড়ামণি। হাটের নাগর তুমি, ভিটায় নিমিত্ত সামগান…

পড়ুন

বাবা / মণিদীপা নন্দী বিশ্বাস

জানলার ধারে রোদ পোহাও তুমি কত দশক… সন্তানের কতগুলো ভুল ভুল কাজের নির্জন সাক্ষী হয়ে…

পড়ুন

ভূতপূর্ব ভূত / অহনা বিশ্বাস

ভূতের নাম যে ভূত -গোটা গ্রাম সে কথা জানে। একবার রাস্তা থেকে ডেকে ওর মা…

পড়ুন

প্রেম বলিনি/যশোধরা রায়চৌধুরী

আমি তোমার ছোট্টবেলার বোকা তুমি আমার আনন্দ জিমখানা আমি তোমার তাসের হাতের পোকার তুমি আমার…

পড়ুন

খন্দকার গলির অন্ধকার / অলোকপর্ণা

ঘুমের ভিতর হেঁটে বেরানো আজও থামলোনি জাহান আরার। জাজিমে গতর এলানো মাত্র সে ঘুমের সাগর…

পড়ুন

এ এক ‘অচেনা’ দেশ/পার্থ মুখোপাধ্যায়

আমরা যখন গতির নেশায় ছুটছি, যখন আমাদের চারপাশ ‘স্মার্ট সিটি’ আর ‘ক্যাশলেস’ হওয়ার উৎসবে মেতেছে,…

পড়ুন

খেলার দৃশ্যান্তর/অনির্বাণ বসু

একতলা ক্লাবঘর। ন্যাড়া ছাদ। কাঠের দরজা। কোলাপ্সিবল। লাল মেঝেয় কালো বর্ডার। পলেস্তরা-খসা দেয়াল হালকা ঈষৎ।…

পড়ুন

কাজের ভাষা, মুখের ভাষা/স্বপ্নময় চক্রবর্তী

যিনি কাঠের কাজ করেন, উনি বললেন, ‘এই কাঠের জিনিসগুলোকে আলাদা করে পালিশ করাবেন কেন? দোকান…

পড়ুন

কানুর বিয়ে/সুবর্ণা মণ্ডল

কানুর সেদিন খুব কান চুলকাচ্ছিল। আগের দিনের যে পায়রাটা হাত থেকে ফসকে গিয়ে শুধু একটা…

পড়ুন

বাঁশি / অংশুমান কর 

বাঁশি যখন বেজে যায় তখন কী যে হয় এই পৃথিবীতে! মনে হয় এক শূন্য মাঠের…

পড়ুন

কাঠামো / অর্ণব চৌধুরী

গাছের কোটরে ভাঙাচোরা দেবীমূর্তি আছে পড়ে আঁধার-মিনারে ফুটে ওঠে তার সমাহার নিরিবিলি পথে আমি তার…

পড়ুন

মুষলপর্ব/বেবী সাউ

শূন্যতার রং নিয়ে বড়ো বেশি ভেবে চলো তুমি অথচ জলের কাছে প্রতিদিন শিখে নিই নীল…

পড়ুন

পুরনো দিন নতুন দিন/শংকর চক্রবর্তী

মনে পড়ে সেইসব রবীন্দ্র-গানের সকাল সূর্যাস্তের থেকে মুক্তি পেয়ে ভাবলেশহীন কোনো সন্ধের পাশে বেজে উঠত…

পড়ুন

চৌষট্টি যোগিনী সমীপে / শর্মিষ্ঠা দাস

ভুবনেশ্বর শহরে এসেছি । আকাশপথে আমাদের দুর্গাপুর থেকে এখন মোটে একঘন্টাও নয় । কাজে অকাজে…

পড়ুন

পথ রুধে রবীন্দ্রঠাকুর: বাংলা গানে পথ চলা/অভ্র বসু

সম্প্রতি একটি বিতর্কসভায় থাকবার সুযোগ হয়েছিল, যেখানে বিতর্কের বিষয় ছিল: রবীন্দ্রনাথের গান আর বর্তমান প্রজন্মের…

পড়ুন

নির্বাচন / ঈশিতা ভাদুড়ী

কাকে বেছে নেব? অলিভপাতা, নাকি ধুঁতরোফুল? কে না জানে সঠিক নির্বাচন না হলে দু:খ পড়ে…

পড়ুন

মন্দির দেখা সহজ নয়/শ্রীলা বসু

বেড়ানোর পোকাটা আমার মাথায় এসেছে প্রধানত পৈতৃক সূত্রে। বাবার হাতে ম্যাপ টাইম টেবিল দেখতাম হরদম।…

পড়ুন

গ প্ পো ১ – গ্যানগ্যানের দেখা পেলুম / বোধিসত্ব মৈত্রেয়

গ্যানগ্যানের দেখা পেলুম সেই সাত-সুমুদ্দুর তেরো নদীর পারের দেশে। সে বড় আজব দেশ। সে দেশের…

পড়ুন

আমাকে আসলে কেমন দেখায় / নাসরীন জাহান

আমাকে কি খুব উদ্ভট দেখায় ? চক্রাকারে বাসটা মোচড় দিয়ে উঠতেই এমন একটা ভাবনা আমাকে…

পড়ুন

৩/৪ সি, তালতলা লেন / সুমিতা মুখোপাধ্যায়

বইয়ের নামঃ ৩/৪ সি, তালতলা লেন কবিঃ হিন্দোল ভট্টাচার্য আলোচকঃ সুমিতা মুখোপাধ্যায় ৩/৪ সি, তালতলা…

পড়ুন

শহর/বিজয় সিংহ

ফেরার আগে যে তুমি অহৈতুকী ছিলে ফেরার পরে যে প্রাক গোধূলিরা অপ্রবাসে ঢোকে ফক্স কে…

পড়ুন

পিতা নোহসি/প্রতিভা সরকার

‘এই রানি, তোর বাবা সবসময় আমার বুকের দিকে তাকায়া তাকায়া কথা কয় ক্যান রে? বুড়াটা…

পড়ুন

দিনলিপি/প্রবালকুমার বসু

ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের কথা মনে পড়ে কথা দিয়ে না রাখতে পারার মতন অনর্থক গ্লানি  …

পড়ুন

গ প্ পো ৪ – পুঁটে দত্তিদের গপ্পো/ বোধিসত্ব মৈত্রেয়

টাটকা-ঝরা ঝুরো বরফের রাশ ঠেলে এগুচ্ছি আমি আর স্কুয়া। ধু ধু ফাঁকা রাজ্যিটা ভরা অরোরার…

পড়ুন

পিরিত/অভিমন্যু মাহাত

খুব টানটান ছিল বেদনা যত দিন যায় ভুল বাড়ে, প্রবঞ্চনাও বাড়ে স্মৃতিভ্রষ্ট সুতোয় পিরিতের বহি…

পড়ুন

গ প্ পো ২ – ধেড়ে দত্তি আর গুণীন অ্যাডামের গপপো / বোধিসত্ব মৈত্রেয়

সে অনে-ক অনে-ক দিন আগেকার কথা। তখন সুমুদ্দুরের জল এরকম নোনা নয়। বেশ মিষ্টি জল।…

পড়ুন

তৃতীয় চোখের বসুধা / জগন্নাথ দেব মণ্ডল

আকাশ মেঘে ভার।টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে। শরৎ সকালে বাজারে বিক্রিবাট্টা নেই । দোকানদার, খেটে খাওয়া, দিন…

পড়ুন

স্পর্শ, স্পর্শাতীত… / সৌরভ মুখোপাধ্যায়

তাহলে আলোর কথা জেনে নেব কাহার সমীপে? তাহলে দুপুরশব্দ,একমনে পাখিটির স্নান? তবে কে জানাবে বলো…

পড়ুন

গুঁড়োমশলা/কাবেরী গোস্বামী

সে এখন একটি অচল পয়সার মতন ফিরেও তাকায় না আর কেউ কারণ, সে আজ শুষ্ক…

পড়ুন

ঘড়ি বন্ধ ছিল/বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়

লাফাতে লাফাতে বেরিয়ে যাবার পর টের পেলাম অনেকগুলো ভুল হয়ে গেছে। মাস্ক নিতে ভুলে গেছি।…

পড়ুন

শিশিরকুমার দাশ: খুঁজে ফিরি কর্ণ, কর্ণের সহোদর/মোস্তাক আহমেদ

মৃত্যুলগ্ন পার হয়ে যতবার গিয়েছি নিঃসীমে বিদ্যুতের দীপ হাতে: অন্ধকারে আকাশের বিস্তৃতি অপার বিদ্রোহী ঝড়ের…

পড়ুন

সুন্দর যখন ভয়ংকর / হিন্দোল ভট্টাচার্য

দশ বছর আগের কথা। গেছিলাম ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স বলে এক অপরূপ জায়গায়। হিমালয়ের কোলে, এক…

পড়ুন

অঙ্ক / তৃপ্তি সান্ত্রা

শচীনদার বউ উষা বৌদি মায়া আর মীরাকে দেখে খুব খুশী হলেন। কতদিন পরে এলে। কেমন…

পড়ুন

তোমার প্রিয় কাব্যগ্রন্থের নাম/বর্ণালী কোলে

(১) বিদ্রোহ শান্ত হয়ে আসছে, শান্ত হয়ে আসছে জলকামান আক্রোশ শান্ত হয়ে আসছে, শান্ত হয়ে…

পড়ুন

দি লাস্ট মিটিং/সমরজিৎ সিংহ

একটি রাস্তা । তারপর, আবার রাস্তা । তারপর সমাধি । তার উপর চাঁদের ছায়া ।…

পড়ুন

নামকরণ / ঋজুরেখ চক্রবর্তী

কোনও একদিন তুমি সেই উন্মত্ত কিশোরবেলার নাম রাখতে চেয়েছিলে নিপীড়িত জনতার সরণি। প্রকৃতিতে তখন প্রতিটি…

পড়ুন

আমাজনের চার অধ্যায়/চৈতালি চ্যাটার্জি 

কালো , আঁধারের মাঝে ;   কুচকুচে কালো চারিপাশ, তারই মাঝে কিছু আলোর বিন্দু ফুটে…

পড়ুন

কালীপুজোয় আকালীপুর / ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

বাতাসে অল্প হিমেল গন্ধ আর সঙ্গে শিউলির শেষ রেশটুকুনি নিয়ে শহর ছেড়ে রাঙামাটির পথে পাড়ি…

পড়ুন

বিমর্ষ জল ও উড়ন্ত লাল কার্পেট/গৌতম গুহ রায়

খবরটা সরাসরি ওকে দেয়নি কেউ, কিন্তু সকাল থেকেই বাড়িতে ফিশফিশ করা চাপাস্বরের কথাগুলো তার কানে…

পড়ুন

জোয়ার / বেবী সাউ 

যেভাবে জলের কাছে লিখে রাখি ত্যাগসূত্র আদি—   শরীর, গোপন মায়া ধীরে ধীরে নামে কঠিন…

পড়ুন

কলসপুর যাইনি / অমর মিত্র

অনেকবার  দীপিকাকে বলেছি, কলসপুর নিয়ে যাব। বলতে গেলে সেই বিয়ের পর থেকে। আমাদের যাওয়া হয়নি।…

পড়ুন

গ প্ পো ৩ – ধেড়ে দত্তি স্যাক্সি আর হারমানের গপপো/ বোধিসত্ব মৈত্রেয়

টিং-টিং, টুং-টুং, এক ছোট্ট ঘণ্টার মিষ্টি আওয়াজ আসছে কোথা থেকে? হাতড়াতে থাকি এদিক ওদিক। জঙ্গুলে…

পড়ুন

আপনার লেখা প্রকাশ করার জন্য

কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, অনুবাদ এবং অন্যান্য লেখা