শূন্যতার রং নিয়ে বড়ো বেশি ভেবে চলো তুমি
অথচ জলের কাছে প্রতিদিন শিখে নিই নীল ঘষা রং
আমাদের অভিমানগুলো ভেঙে গেছে আজ
তার কোনো গতিপথ নেই;
সূত্র ভুলে গেলে, বলো, কীভাবে মেলাবে—
জীবনের মায়া, ছায়াধ্বনি!
সহজ ভেবেছি যতটুকু, কঠিনের আবরণে ঢেকে গেছে রোজ
সেই লক্ষ্যভেদ, মাছের নরম চোখ কিংবা জাতিভেদ প্রথা
বারবার ফিরে আসে—
বারবার মুছে যায় গভীর আঁধারে এসে
ময়দানবের একাকী চিৎকার
নদীটি হারায়, জঙ্গলের অধিকার মুছে দেয় গোপন মালিক
কিছু বাকি নেই তার
সমাজ ভেবেছি যাকে, পরিচয়হীন জনজাতি শুধু
ইঁদুরের মাংস দিয়ে, ভুলভাল রং দিয়ে
চিহ্নিত করেছে তাই উপজাতিপ্রথা
কিছু ধূসরতা, কিছু নীলাভ শূন্যতা
জটাজাল, মিথের কথন
তখনই সহজ হবে অধিকার বোধ
পাহাড়ের গায়ে গায়ে লেখা হবে রাজাদের শিলালিপি
গুপ্ত ঘাতকের নাম
কিংবা…
শুধু ভয় হয় রাতের আঁধারে খুন হয়ে যাওয়া
অভিমানী মেয়েটির রং
সকালের রোদ দেখে, আর পাঁচটা রক্তের মতন…
কালো পচা বর্ণহীন!












































