এক
ছোট ছোট চিরকুটে ভরে যাচ্ছে বাদলবেলা। বল্লভপুর, গোবিন্দপুর, মুকুটমণিপুর হয়ে মধুপুরে পৌঁছেও শেষ নয় পথ, এই পুরবাসী তালিকাকে পৌঁছতে হবে একশ আটে! তবেই বৃষ্টি থামবে ঠাকুমার কথামতো। কচিকন্ঠের মিনতি কাকলির কাছে লেবুপাতা আর করমচা ঝরে যায়। বালিকাসংঘের গায়ে জলের ছাঁট আবার ফিরে আসার কথা দিয়ে সরে পরে, এক আশ্চর্য লোকায়ত টোটকার পর।
দুই
রিমঝিম বরষ কি শাওন, তোমার কথাই হচ্ছিল। নাকের ডগা থেকে চশমা নামিয়ে রাখার যে স্তম্ভিত মুহুর্ত তাতে জলের ফোঁটা এসে পড়েছিল খুব। আই স্পাইজ খেলার স্মৃতি লোনা হয়ে মিশেছে তাতে। হয়তো বাল্য প্রেমের লুকনো ছিঁটেফোঁটাও লেগে আছে। ছাতার যৌথ কাহিনী মাথায় নিয়ে তোমার ক্রমশ ঝাপসা হয়ে যাওয়ার কথাই হচ্ছিল খুব, বৃষ্টি মধ্যবর্তী সেই ক্যান্টিন উপত্যকায়
তিন
একটি বিদ্যুৎ রেখার সঙ্গে অন্যের ভাব ভালবাসা হয় না কখনও। অথচ জন্মসূত্রে তারা ভাই বোন। কিন্তু একই বিদ্যুৎ রেখা ভাগ করে নেওয়া শাপগ্রস্ত ওই যুবক আর ওই যুবতী, কোন পথে ফিরবে বর্ষাঠাকরুন? জলভারনত চুম্বন ঘোরে ঠোঁট থেকে ঠোঁটে, ফেলে আসা আয়ুর দীর্ঘ করিডর, নতুন করে ভেসে যায়। ওদের শোকগ্রন্থনাকে আর কেউ না দেখুক, তুমি মায়া দিয়ে ঘিরে রেখো





















































