হাসছি বলেই চাঁদ উঠছে নাকি চাঁদ উঠছে বলে হাসছি— কোনো একক মাত্রাকে চায় না মানুষ, নৈঃশব্দ্যের মধ্যেও। এমনতর সম্ভাবনাকে ছাড়িয়ে বীতশোক সাঁতরে আমি যাবো তাহার নিকটে। চাঁদে বসে গাইব মায়াবাদ, চাঁদে বসে বুনব খামার জমি। আমাদের দাবি অনুযায়ী ভালোবাসা চিরকাল চাঁদের সাপোর্ট পেয়েছে। পুনরায় চাঁদে গিয়ে অপেক্ষা করব তোমার জন্য। আমার রান্নাঘরে, পড়ার ঘরে বাজছে দ্বিজেন্দ্র গীতি। শোবার ঘরে হে কলানাথ, তুমি এক বিরল মতি। মানুষের দেওয়া বিষাদে আগুন লাগাই চাঁদের উর্বরতায়। কিশমিশ আর কাজুবাদামে নবনির্ণীত পায়েসে ফোঁটা-ফোঁটা সোম। মেঘে ঢাকা চাঁদকে মেঘমুক্তির গান শোনাচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ।






























































